Akhi alamgir nude sex One toone chat live sexy grlis


27-Dec-2017 07:24

Akhi alamgir nude sex-57

datingbooks com

–ঠিক আছে।এই ছেলেটা সব কিছুতেই অনেক চেষ্টা করত। অনেক পরিশ্রম করত। কিন্তু চিন্তা করত জটিল করে। যেটার জন্য ও অনেক সহজ জিনিসও বুঝত না। আমি জানতাম ও আঁকতে পারবে না। এই জন্যই ওরে এটা আঁকতে দিয়েছিলাম। আমার যেই লাভ টা হল সেটা হল ঘটঘটানি বন্ধ। আমি দেখলাম ও কম্পাস আর স্কেল নিয়ে বসতেছে। আমি তো খুশি।শাওন এমনিতে ভালো ছেলে। সারাদিন পড়াশুনায় ডুবে থাকত। অন্যসব ছেলেরা যা করত ও ঐগুলার কিছুই করত না। ফার্স্টইয়ারের ছেলে গুলা অনেক রক্ত গরম টাইপের হয়। নতুন ভার্সিটি উঠছে,তার উপর ঢাকা শহরের বাতাস। সব কিছু মিলায়া একেবারে রঙিন দুনিয়া। আমাগো হলেই কয়েকটা পোলা ছিল যারা মদ,আফিম,হিরোইন,গাজ� �, আর মাইয়া লইয়া সারাদিন টাল হইয়া থাকত। আমি জানতাম প্রতিটা রুমেই একটা দুটো এরকম থাকেই। আমি যখন প্রথম যাই হলে থাকতে,তখন যেই রুমে ছিলাম সেটাতে দুটো আর্কিটেক্ট ভাইয়া ছিল। দেখতাম সারাদিন টাল হয়ে থাকত। আমারেও কয়েকদিন মদ নিতে কইছিল। নিছিলামও,কিন্তু খাইতে পারি নাই। এত জঘন্য জিনিস মনে হয় আমি এর আগে টেস্ট করি নাই। মদের থেকে মনে হয় মুতও বেশি মজা। আর সিগারেটের গন্ধই সহ্য করতে পারি না,গাঞ্জা তো দূরে থাক। কয়েকদিন অবশ্য পর্ণো মুভি দেখার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেটাও ভালো লাগে নাই। সব গুলা একই রকম। কোন বৈচিত্র নাই। যখন দেখতাম তখন আমার এক্সাইটমেন্টই হইত না। তাই ঐটাও বেশিদিন করতে পারি নাই। হলের সবাই জানত আমাগো রুমে কোন রকমের উল্টাপাল্টা কাজ হইত না। এইজন্য একটা সুন্দর নামও ছিল আমাদের রুমটার। সেটা হল পবিত্র রুম। বুয়েটের জেরুজালেম (পবিত্র নগরী,যারা মুসলমান তারা হয়ত জেনে থাকবেন)। আর আমাগোরে মানে আমারে আর শাওন রে কইত পূত,পবিত্র মানুষ অথবা শিশু। পরে অবশ্য শিশু নামটাই বেশ প্রচলিত ছিল। তবে আমি যে ড্রিংক্স করতাম না তা একেবারে ঠিক না। আমার ওয়াইনটা খুব প্রিয়। আইস ওয়াইনটা বেশি লাইক করি। এখন সপ্তাহে অন্তত একবার এটা টেস্ট করি। আগে মাসে একবারও পাইতাম না। ব্রান্ডের মাঝে লাইক করতাম এলসিনো আর রেড সেভেন। অদ্ভুত জিনিস দুইটা। তবে প্রচুর দাম ছিল তখন। একটা এলসিনো’র বোটল ছিল ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। যেটা ছিল আমার সারা মাসের খরচ। আর পোলাপাইনরাও আনত না। কইত নেশা নাকি জমে না। অবশ্য মাঝে মধ্যে স্যারের বাসায় গেলে খাওয়া যাইত।একটু পর দেখলাম আমার মোবাইলের লাইটটা একবার জ্বলতাছে একবার নিভতাছে। হাতে নিয়ে দেখি সপ্নার ফোন। সপ্না এখন আমার বউ কিন্তু তখন আমার গার্লফ্রেন্ড ছিল। ও তখন ডি.এম.সি.তে পড়ত। সেকেন্ড ইয়ারে। পরে এফ.সি.পি.এস’ও শেষ করছে। এখন সুন্দর ঘরে বসে আছে। সে নাকি টায়ার্ড হয়ে গেছে। ডাক্তারি করতে পেইন লাগে। এই মেয়েটাকে যখন আমি প্রথম দেখেছিলাম তখনই আমার মনে হয়েছিল মেয়েটার মাথায় কিছু না কিছু ছিট তো আছেই। আর এখনও জীবনের প্রতিটা ডিসিশনে সেটার পরিচয় খুব ভাল ভাবেই দিচ্ছে। তবুও কেন জানি মেয়েটাকে ভাল লাগে। হয়ত মানুষ ভালো এই জন্য।ফোন রিসিভ করতেই সেই জ্বালাময়ী কণ্ঠ কানে এল।–হ্যালো,রিশাত,কেমন আছো? –আমি ভীষণ ভালো আছি। তার উপর তোমার জন্য একটা, না না, অনেকগুলা সারপ্রাইজ আছে, তাই আরও বেশি বেশি ভালো।–কি সারপ্রাইজ? –না,ভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে।–“তাই নাকি?

In this mms, she was sucking the dick of her lover and then got fucked by him.

– জানি না,একটু পড়তে বসবো। তারপর টিউশনিতে যাব। ওখান থেকে ভালো লাগলে আসবো।–না, না, ভালো লাগার কিছু নাই। তুমি আসতেছ এটাই ফাইনাল ডিসিশন। আমি আর কিছুই শুনতে চাচ্ছি না।–তাহলে আসতে আসতে বিকেল হতে পারে।–নো প্রবলেম। তাইলে দেখা হবে তখন। খোদা হাফেজ, ভালো থাইকো।–ঠিক আছে, খোদা হাফেজ।এই বলে আমি কলটা কেটে দিলাম। প্রায় পাঁচ মিনিটের কল ছিল সেটা। এই পাগলীটা যদি আমার জীবনে না আসত তাহলে হয়ত আমি মেয়ে মানুষ কি জিনিসটাই জানতাম না। ওর সাথে পরিচয়টাও হয়েছিল হঠাৎ করে। সেই ঘটনাটা একটু বলি।আমি গিয়েছিলাম DMC তে একটা ভর্তি ফর্ম তুলতে। সেখানে গিয়ে ফর্মের কিউ দেখে আমারতো মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। বুদ্ধি করলাম কোন স্টুডেন্টকে হাত করার । তাহলে হয়ত আমার কিউটাতে দাঁড়াতে হবে না। আমি একটা স্টুডেন্টের সার্কেলের পাশে গিয়ে ইন্টারাপ্ট করলাম। তখন মনে হয়েছিল ফ্রেন্ডদের সার্কেল। এক্সকিউজ মি বলতেই সপ্না ঘুরে আমার দিকে তাকাল। আমি পুরা বিষয়টা তাকে বলতেই ও একটা হাসি দিয়ে বলল, “চলেন আমার সাথে।” তখনও আমি জানি না যে আমি DMC’র প্রিন্সিপ্যাল এর মেয়ের সাথে কথা বলতেছিলাম।অফিস রুমে যাবার পথে ও অনেক কথা বলছিল। আমি শুধু হাঁ হু করছিলাম। সপ্নার চেহারাটা একটু লম্বাটে টাইপের গোল। কিছুটা প্যারাবোলা টাইপের। আর নাকটা খাড়া। যখন ও কথা বলছিল তখন এত দ্রুত হাত দুটো নাড়ছিল দেখে মনে হচ্ছিল ও স্ট্রিট ডান্সের প্র্যাকটিস করছে। আমার এখনও মনে আছে, ঐ দিন ও দুজনের গায়ে হাত লাগিয়ে দিয়েছিল। এজন্য ওকে স্যরিও বলতে হয়েছিল।সপ্নাকে সুন্দরী বলা যাবে কিনা সেটা আমি জানি না। তবে চেহারাটা দেখে কেমন যেন শান্তি শান্তি লাগে। মনের মাঝে একটা বিচিত্র আনন্দও অনুভূত হয়। এটার কারণ কি সেটা আমি এখন পর্যন্ত বুঝতে পারি নাই। সপ্নার হাইট সাধারণ মেয়েদের থেকে একটু বেশি। কিন্তু আমার থেকে চার ইঞ্চি শর্ট। প্রথম দেখায় ওকে মনে হয়েছিল পাঁচ ফুট পাঁচ হবে হয়ত। পরে জানলাম ও পাঁচ ফুট সাড়ে ছয়। লম্বাই বলা যায়। আমার ফর্মটা কোন ঝামেলা ছাড়াই ও কিনে দিল। এই জন্য থ্যাংকস, ট্যাংকস দিলাম। তারপর ফোন নাম্বারটাও চাইলাম, পরে এমন ফর্ম তুলতে কাজে লাগবে এই ভেবে। কিন্তু কে জানত এই মেয়েই যে আমার বউ হবে?

ফোন নাম্বার চালাচালির পর ক্যাম্পাসে আসলাম। আসতে না আসতেই দেখি সপ্না কল দিছে। বলল ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতে। যেই মানুষটা আমার,চার সাড়ে চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর কষ্ট বাঁচায় দিল তার জন্য মিনিমাম কৃতজ্ঞতা দেখাতে হলেও আমার সেইদিন তার রিকোয়েস্টটা এক্সেপ্ট করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। গেলাম দেখা করতে। সারা দিন ঘুরলাম আমরা। অনেক এনজয় করেছিলাম। এমন করে ও প্রায়ই আমাকে কল দিত আর আমরা ঘুরতে যেতাম। পরে অবশ্য শুধু কৃতজ্ঞতা থেকে যাই নাই, ভালো লাগত তাই যেতাম। আমাদের মাঝে বেশ ভালই একটা রিলেশান বিল্ড আপ করেছিল। কিন্তু কিভাবে যে সেটা প্রেম হয়ে গেল সেটা আমার মাথায় ঢুকে নাই।একদিন সপ্না আমারে হাউমাউ কইরা কানতে কানতে কয় ও নাকি আমারে ভালবাসে। আমার আসলে বিয়ার আগে প্রেম জিনিসটা ভয় লাগত। পরে দেখা যাবে আমি যেই মেয়েটারে এতদিন ভালবাসতাম হ্যায় আমার ফ্যামিলিরে নেগলেক্ট করতাছে। যেটা আর যেই সহ্য করতে পারুক আর নাই পারুক আমি একদম সহ্য করতে পারি না। আরেকটা কারণ ছিল আমার মা। আমার আম্মু যদি না থাকত তাহলে হয়ত আমি আজকে এত ভালো অবস্থায় থাকতে পারতাম না। সত্যি বলতে কি আমাদের পরিবারটা চলত আমার আম্মার উপর। আব্বু কিছুই করত না। ডালে ডালে জীবন কাটাইত। আর আম্মা আমারে চাকরী কইরা আইন্যা খাওয়াছে,পড়াইছে,বড় করছে। তাই আম্মুরে কষ্ট দিতে এমন কি একটা কথা এদিক সেদিক করতেও খুব ভয় লাগত। আর তাছাড়া এস.এস.সি পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ কইরা মানে আশানুরূপ রেজাল্ট করতে না পাইরা আম্মুরে খুব কষ্ট দিছিলাম। যদিও ইচ্ছা করে খারাপ করি নাই। হয়ত এটা একটা Irony fate ছিল। কিন্তু তখন আর আম্মুর মুখের দিকে লজ্জায় তাকাইতে পারি নাই। অবশ্য আম্মু কখনও আমাকে বকাঝকা করেছেন বলে আমার মনে পড়ে না,এমনকি আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধেও কখনও যান নাই। তাই প্রেম করলে হয়ত কিছু বলতেন না,তবুও আমার বিয়ে তো আর শুধু আমার বিয়েই না, আম্মুর ছেলেরও বিয়ে। তারও পছন্দ থাকতে পারে। তাই কোন দিন প্রেম ট্রেম করব চিন্তা করি নাই।কিন্তু এদিকে আবার সপ্নার কান্নাকাটি চলতাছিল। সব ভাইব্বা,চিন্তা কইরা সপ্নারে কইলাম, “প্রেম করতে পারি তবে তোমারে এমন হইতে হইবো যেন আম্মু তোমারেই তার ছেলের বউ হিসেবে পছন্দ করে, আর যদি আম্মা মানা করে তাহলে কিন্তু আমি কিছুই করতে পারুম না।।” ও কইল, “ঠিক আছে।” ব্যাস শুরু হইল আমাগো প্রেম।এখন আমাগো রিলেশানের সাত বছর চলতাছে। আর বিয়ের দুই বছর আজকে পূর্ণ হইল। এখন সপ্না আম্মার অনেক প্রিয় হয়ে গেছে। সারাদিন দুইজনে অনেক মজা করে। আর আম্মা সুখে আছে বলে আমিও খুশি। যাই হোক এবার আসি কাহিনীতে।সপ্নার বাসায় ঐদিন গেলাম বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। মার্চ মাসের গরম চলছিল। ঐ দিন প্রচন্ড গরমও পড়েছিল। তবে সুন্দর ঝিরঝিরে বাতাস ছিল বিকেলটাতে। গায়ের টি শার্ট টাও ঘামে ভেজা। যার জন্য কিছুটা ঠাণ্ডা লাগছিল । সপ্নাদের ফ্ল্যাটটা ছিল বনশ্রীতে। এখন অবশ্য ওটা ভাড়া দেয়া। ফ্ল্যাটটায় একটুও কার্পণ্য করে নাই ডিজাইনার। বিশাল বিশাল রুম, প্রত্যেকটার সাথে একটা বিশাল ব্যলকনি। এর মাঝে ওদের বাসা আবার বারো তালায়,সেকেন্ড টপ ফ্লোর। মানে আলো বাতাসের কোন অভাব নাই। বাসাটার ইন্টেরিওর ডিজাইনিংটাও খুব যত্ন করে করা হয়েছে। আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর লাগে ওদের ওয়াশরুম গুলা। ফ্ল্যাটটাতে যেরকম টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটা তখন খুব রেয়ার ছিল। আংকেল অনেক শৌখিনও ছিলেন,তার উপর টাকা পয়সার কোন অভাব ছিল না। হয়ত এ জন্যই এত সুন্দর একটা বাসা খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন ভাবতাম কবে এমন একটা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারবো। পরে যখন টাকা পয়সা হইছে তখন আর ঐরকম ফ্ল্যাট পাই না। সব কমার্শিয়াল। ঢাকা, চট্টগ্রাম সব খুইজা ফালাইছি কিন্তু পাই নাই। আব্বু মানে আমার শ্বশুর যখন জানলেন ওটা আমার খুব প্রিয় তখন অবশ্য আমাকে ফ্ল্যাটটা দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন । কিন্তু লজ্জায় পড়ে মানা করেছিলাম ।আমি লিফট থেকে নেমে সপ্নাদের বাসায় কল বেল দিতেই ও দরজা খুলল। একটা টি শার্ট আর ট্রাউজার পড়নে ছিল। আমি বাসাতে ঢুকে ব্যাগটা রেখে ড্রইং রূমে সোফাতে গা এলিয়ে দিলাম। ও আমার সামনে এসে মিটমিট করে হাসছিল। আমি এগুলা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তাই নির্লিপ্ত ছিলাম।–কি খাবা?

” সপ্না চোখ পাকিয়ে আমার দিকে তাকায় বলল।আমি সাথে সাথে বললাম, “না ঠিক তা না, It’s just boring.

I can’t explain it.”–বাদ দাও। তোমার মেয়েদের ব্যাপারে কোন ইন্টারেস্ট বা আইডিয়া আছে?সেদিন ও আমাকে অনেকক্ষণ কিস করল। প্রায় পাগলের মত। তারপর যখন ও একটু ঠাণ্ডা হল তখন আমি ওর ঠোঁট থেকে একটু নিচে নামলাম। ধীরে ধীরে ওর গলায়,ঘাড়ে,বুকে কিস করলাম। আমার যতদুর মনে পড়ে আমি কিস করতে করতে ওর নাভিতে এসে থেমে গিয়েছিলাম। ওর চোখ তখন বন্ধ ছিল আর প্রতিটা কিসেই ও শিহরিত হচ্ছিল। এরপর উপরে উঠে ওর দুধগুলো আবার টিপতে থাকলাম। তখন যেন আমি শুনতে পেলাম, ও আমার কানে ফিস ফিস করে বলছে, “Rishat, I love you. I can’t put up with it.”এই প্রথম আমি কিছুটা অসহায় বোধ করছিলাম। কারণ আমার কাছে কনডম ছিল না। আর ওর কাছে থেকে থাকলেও ( যদিও পরে জেনেছিলাম ওর কাছেও কনডম ছিল না) ওর ঐ Climax থেকে তখন ওকে বের করে এনে কনডম কই সেটা জিজ্ঞেস করতে খারাপ লাগছিল । কি করা যায় সেটা ভাবছিলাম। হঠাৎ মাথায় এল ও আমার বাড়া ম্যাসাজ করার জন্য লুব্রেকেটিং অয়েল এনেছিল। সেটা ভাবতেই মাথায় চলে এল ওর কাছে অবশ্যই একটা ডিলডো আছে। না হলে ও লুব্রেকেটিং অয়েল দিয়ে কি করেবে?



We went on a long walk with the dog, and afterwards, somehow he convinced me to enter his apartment.… continue reading »


Read more

more about Alina from Kiev I can change life cardinally of the person whom I will love. Online Dating Site that offers the most efficient way to meet Russian Ladies.… continue reading »


Read more

They also constructed a concrete bottom in the man-made lake for swimming.… continue reading »


Read more

Look at the personal photos and video profiles from good looking singles in your local area who you can contact via live video chat on our website to make your first step towards romance. Meet singles in your area for chat, instant messaging and text messages.… continue reading »


Read more

Ritter later worked as a security and military consultant for the Fox News network. U-2 having been loaned to UNSCOM, but caused Ritter to be subjected to criticism and investigation by U. Beginning in December 1997, Ritter, with the approval of UNSCOM head Richard Butler and other top UNSCOM leaders, began to supply the UK's foreign intelligence service MI6 with documents and briefings on UNSCOM's findings to be used for MI6's propaganda effort dubbed "Operation Mass Appeal": "I was approached by the British intelligence service, which I had, again, a long relationship with, of an official nature, to see if there was any information in the archives of UNSCOM that could be handed to the British, so that they could in turn work it over, determine its veracity, and then seek to plant it in media outlets around the world, in an effort to try to shape the public opinion of those countries, and then indirectly, through, for instance, a report showing up in the Polish press, shape public opinion in Great Britain and the United States.… continue reading »


Read more

IBM collects information as the data processor only for limited purposes: (1) to learn about, detect and combat suspected attacks in order to enhance the ability of the Program to protect You and other end users as well as Your Sponsoring Enterprise, (2) to learn about suspected Program malfunction, and (3) to provide You with support services that you request.… continue reading »


Read more